ভিডিও এডিটিং এর জন্য সেরা ৫টি ল্যাপটপ

ভিডিও এডিটিং এর জন্য সেরা ৫টি ল্যাপটপ

ভিডিও এডিটিং- এর ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভিটির পাশাপাশি একটি ভালো ল্যাপটপও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই আর্টিকেলে আমরা জানাবো কোন ধরনের ল্যাপটপ ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ঠিক কেমন CPU, GPU, RAM, Storage হলে একটি ল্যাপটপে ভালোভাবে ভিডিও এডিটিং করা যায় তা নিয়ে সবকিছু। এছাড়া আমরা ভিডিও এডিটিং এর জন্য সেরা ৫টি ল্যাপটপ এর রিভিউও দিয়েছি। এতে করে আপনি সহজেই আপনার কাজের ধরন ও বাজেট অনুযায়ী সেরা ল্যাপটপটি বেছে নিতে পারবেন। 

ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য কেমন প্রসেসর দরকার?

ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে প্রতিটা সেকেন্ডে ল্যাপটপের পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে পুরো প্রজেক্টের স্পিড ও কোয়ালিটি। আপনি যদি Premiere Pro, DaVinci Resolve বা After Effects-এ কাজ করেন, তাহলে নিশ্চয়ই জানেন – রেন্ডারিং, কালার গ্রেডিং, ট্রানজিশন বা মাল্টিপল ক্লিপ একসাথে হ্যান্ডেল করা কতটা CPU ডিমান্ডিং কাজ।

এই কারণেই ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসর এক কথায় অপরিহার্য। সাধারণ অফিস ওয়ার্কের জন্য যেসব CPU চলে, সেগুলো ভিডিও এডিটিংয়ে বেশিরভাগ সময়ই ল্যাগ, হিটিং বা স্লো রেন্ডারিং-এর সমস্যায় ভোগে।

তাহলে কোন প্রসেসর বেছে নেবেন? অন্তত Intel Core i5/i7 (12th Gen বা তার উপরে) অথবা AMD Ryzen 5/7 (5000 সিরিজ বা তার উপরে) প্রসেসর এই কাজের জন্য ভালো হবে। এই জেনারেশনে চিপগুলোতে মাল্টিপল কোর ও হাই ক্লক স্পিড থাকায়, একাধিক ভিডিও ট্র্যাক, এফেক্ট, ও লেয়ার একসাথে রান করলেও পারফরম্যান্সে কোনও ড্রপ দেখা যায় না।

উদাহরণ হিসেবে, Intel Core i7-13700H বা AMD Ryzen 7 7840HS এর মতো CPU গুলো Premiere Pro বা CapCut-এ 4K ভিডিও রেন্ডার করতে দারুণ পারফর্ম করে। এতে করে বড় সাইজের ফুটেজ লোড করা, টাইমলাইনে মাল্টিপল ক্লিপ মুভ করা, এমনকি একসাথে ব্যাকগ্রাউন্ডে এনকোডিংসহ সবই স্মুথভাবে চলে।

এছাড়াও কোর এবং ক্লক স্পিডের দিকেও খেয়াল রাখুন। ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য অন্তত ৬ কোর এবং ১২ থ্রেড থাকা CPU বেছে নেওয়া উচিত। এতে একাধিক সফটওয়্যার যেমন Premiere + Photoshop + Chrome একসাথে চালানো সম্ভব হয়। আর ক্লক স্পিডের দিক থেকে অন্তত ৩.৫GHz বা তার বেশি টার্বো ফ্রিকোয়েন্সি থাকলে রেন্ডার টাইম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

আর রিয়েল এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলতে গেলে, আমরা বিভিন্ন মডেল টেস্ট করে দেখেছি। 13th Gen i7 প্রসেসর যুক্ত ল্যাপটপগুলোতে ১০ মিনিটের 4K ভিডিও রেন্ডার করতে যেখানে ৬-৭ মিনিট সময় লাগে, সেখানে পুরনো 10th Gen CPU-তে একই ভিডিও রেন্ডার হতে ১০ মিনিটেরও বেশি সময় নেয়।

অর্থাৎ, প্রসেসর যত আপডেটেড ও হাই পারফরম্যান্স হবে, আপনার এডিটিং ফ্লো তত ফাস্ট হবে। তাই সংক্ষেপে বললে – ভিডিও এডিটিং-এর জন্য ল্যাপটপ কেনার সময় সিপিউ-তে ইনভেস্ট করাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আরও পড়ুন – গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য সেরা ৫টি ল্যাপটপ

ডেডিকেটেড GPU দরকার কিনা?

ভিডিও এডিটিং মানেই ভারী গ্রাফিক্স প্রসেসিং। টাইমলাইনে একাধিক ভিডিও ক্লিপ, ট্রানজিশন, কালার গ্রেডিং, বা ইফেক্ট অ্যাড করাসহ সবকিছুই নির্ভর করে GPU-এর উপর। তাই এক কথায়, একটা ভালো GPU ছাড়া ভিডিও এডিটিং স্মুথভাবে করা প্রায় অসম্ভব।

অনেকেই ভাবে, “Integrated Graphics দিয়েই তো কাজ চলে যাবে।” কিন্তু বাস্তবে, আপনি যদি 1080p-এর বেশি রেজোলিউশনের ফুটেজ নিয়ে কাজ করেন, বা Premiere Pro, DaVinci Resolve-এর মতো সফটওয়্যারে রিয়েল-টাইম প্রিভিউ চান, তাহলে ডেডিকেটেড GPU-এর বিকল্প নেই।

CPU যেখানে সফটওয়্যারের লজিক ও প্রসেসিং হ্যান্ডেল করে, GPU সেখানে ভিডিও ফ্রেম রেন্ডার, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট, কালার কারেকশন, ও প্রিভিউ লোড করার কাজ করে। একটা শক্তিশালী GPU মূলত CPU-র উপর থেকে প্রেশার কমিয়ে ভিডিও রেন্ডারিং-এর কাজটা আলাদাভাবে হ্যান্ডেল করে। ফলে কাজ হয় অনেক ফাস্ট এবং স্মুথ।

সাম্প্রতিক সালের ট্রেন্ড অনুযায়ী, NVIDIA GeForce RTX 3050, RTX 4050 বা তার উপরের মডেলগুলো ভিডিও এডিটরদের জন্য সবচেয়ে ভালো অপশন। এই GPU-গুলোতে রয়েছে CUDA কোর ও রে-ট্রেসিং (Ray Tracing) টেকনোলজি, যা Premiere Pro, DaVinci Resolve বা After Effects-এর মতো সফটওয়্যারে হার্ডওয়্যার অ্যাক্সেলারেশন ব্যবহার করে কাজের গতি বাড়িয়ে দেয়।

উদাহরণ হিসেবে বলি – আমরা RTX 3050 আর RTX 4050 GPU-র পারফরম্যান্স টেস্ট করেছি Adobe Premiere Pro-তে। 1080p ভিডিওতে খুব একটা পার্থক্য বোঝা যায় না, কিন্তু 4K ভিডিওতে RTX 4050 দ্রুত রেন্ডার করে এবং টাইমলাইন প্রিভিউতে একদমই ল্যাগ করে না।

আর যদি AMD প্ল্যাটফর্ম বেছে নিতে চান, তাহলে Radeon RX 7600S বা RX 7700S GPU গুলোও খুব ভালো পারফরম্যান্স দেয়। বিশেষ করে DaVinci Resolve-এ AMD GPU-এর পারফরম্যান্স অনেক সময় NVIDIA-এর সমান পর্যায়ে চলে আসে। আরও পড়ুন – ল্যাপটপ হ্যাং সমস্যার সমাধান

RAM ও Storage কেমন হওয়া উচিত?

আপনি যতই হাই-পাওয়ার প্রসেসর ব্যবহার করুন না কেন, যদি পর্যাপ্ত RAM না থাকে, তাহলে Premiere Pro বা DaVinci Resolve-এর মতো সফটওয়্যারে টাইমলাইন স্ক্রাব করতে গিয়ে ল্যাগ করবে এবং রেন্ডার টাইম বাড়বে। এমনকি সফটওয়্যার ক্র্যাশও করতে পারে।

সাধারণ Full HD (1080p) ভিডিও এডিটিং-এর জন্য অন্তত 16GB RAM দরকার, কিন্তু যদি আপনি 4K ফুটেজ বা মাল্টিপল লেয়ার, ইফেক্ট, কালার গ্রেডিং ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন, তাহলে 32GB RAM সবচেয়ে ভালো। 

এছাড়াও ভিডিও প্রজেক্ট মানেই বড় বড় ফাইল, Raw Footage, Audio, Render Cache, Preview File-সহ সবকিছু মিলিয়ে কয়েকশো গিগাবাইট জায়গা একদম চোখের পলকে শেষ হয়ে যায়। তাই কমপক্ষে 512GB SSD বেছে নেওয়া উচিত, তবে যারা রেগুলার প্রজেক্টে কাজ করেন বা 4K ভিডিও নিয়ে বেশি সময় কাটান, তাদের জন্য 1TB SSD সবচেয়ে ভালো অপশন। অনেক ল্যাপটপে ডুয়াল স্টোরেজ সাপোর্ট থাকে (SSD + HDD) উভয় ব্যবহার করতে পারবেন। 

ডিসপ্লে কেমন হওয়া উচিত?

ভিডিও এডিটিং-এর জন্য Full HD (1920×1080) হলো বেসিক স্ট্যান্ডার্ড, কিন্তু আপনি যদি 4K ভিডিও নিয়ে কাজ করেন, তাহলে 2K বা 4K ডিসপ্লে অনেক বেশি সুবিধাজনক। এতে টাইমলাইনে সবকিছু ডিটেইলে দেখা যাবে। এছাড়া প্রিভিউ বা কালার কারেকশনও অনেক প্রিসাইস দেখাবে।

তারপর আসে কালার অ্যাকিউরেসি। একজন ভিডিও এডিটরের জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক। অনেক সময় দেখা যায়, আপনি যে কালার টোন সেট করেছেন, সেটা অন্য স্ক্রিনে গিয়ে পুরোপুরি ভিন্ন দেখাচ্ছে। এটা মূলত ডিসপ্লের কালার রেপ্রোডাকশনের পার্থক্যের জন্য হয়। তাই যদি সম্ভব হয়, 100% sRGB বা DCI-P3 কালার গামুট সাপোর্ট করে এমন ডিসপ্লে বেছে নিন।

এছাড়া IPS বা OLED প্যানেল ডিসপ্লে হলে ওয়াইড ভিউইং অ্যাঙ্গেল ও ভালো কালার কনট্রাস্ট পাওয়া যায়। বিশেষ করে OLED স্ক্রিনে ব্ল্যাক শেডগুলো একদম ডিপ ব্ল্যাক দেখা যায়, ফলে ভিডিওর কালার গ্রেডিং অনেক নিখুঁতভাবে করা যায়।

ব্রাইটনেসও একটি বড় বিষয়। অন্তত 300 nits বা তার বেশি ব্রাইটনেস থাকলে আপনি আলো বেশি বা কম – দুই পরিবেশেই স্পষ্টভাবে কাজ করতে পারবেন। এছাড়া Anti-glare কোটিং থাকলে স্ক্রিনে রিফ্লেকশন কমে যায়, যা দীর্ঘ সময় মনিটর দেখলে চোখের উপর প্রেসার কমায়। আরও পড়ুন – চোখের জন্য কোন ল্যাপটপের স্ক্রিন ভালো?

ভিডিও এডিটিং এর জন্য সেরা ৫টি ল্যাপটপের তালিকা

আমরা দেখবো ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য সেরা ৫টি ল্যাপটপ তালিকা। এগুলো ফাস্ট রেন্ডারিং, স্মুথ মাল্টিটাস্কিং এবং প্রফেশনাল গ্রেডিং-এর জন্য একদম পারফেক্ট।

১। Asus TUF FX507ZC4-HN009 

Asus TUF FX507ZC4-HN009 মূলত একটি গেমিং ল্যাপটপ হলেও ভিডিও এডিটিং এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্যও এটি দারুণ পারফর্ম করে। এর 12th Gen Intel Core i5-12500H প্রসেসর, যার ১২ কোর (৪ Performance + ৮ Efficient) এবং ১৬ থ্রেড, Adobe Premiere Pro, DaVinci Resolve বা After Effects-এর মতো সফটওয়্যারকে দ্রুত চালাতে সক্ষম। ৪.৭GHz পর্যন্ত বুস্ট ফ্রিকোয়েন্সি ভিডিও রেন্ডারিং বা প্রিভিউ লোডিং সময় অনেক দ্রুততা যোগ করে।

NVIDIA GeForce RTX 3050 4GB GDDR6 GPU হেভি ভিডিও এডিটিং, মোশন গ্রাফিক্স এবং কালার গ্রেডিংয়ে স্মুথ পারফরম্যান্স দেয়। একাধিক ফুটেজ, লেয়ার এবং ট্রানজিশন ইফেক্ট প্রিভিউ করার সময় কোনো ল্যাগ অনুভূত হয় না।

16GB/8GB DDR4 RAM ভেরিয়েন্ট এবং 512GB NVMe SSD থাকার কারণে সফটওয়্যার লোড, ফুটেজ প্রিভিউ এবং মাল্টিটাস্কিং বেশ ফ্লুয়েন্ট থাকে। ডিসপ্লে হিসেবে রয়েছে 15.6-ইঞ্চি FHD IPS Anti-Glare ডিসপ্লে। এর 144Hz রিফ্রেশ রেট এবং Adaptive-Sync টেকনোলজি ভিডিও এডিটিং এবং ভিডিও প্রিভিউতে একটি হাই-রেসপন্সিভ এক্সপেরিয়েন্স দেয়। 62.5% sRGB এবং 47.34% Adobe কালার কভারেজ থাকলেও, এটি মিডিয়াম লেভেলের ভিডিও এবং কালার প্রজেক্টের জন্য যথেষ্ট।

ASUS TUF FX507ZC4-HN009 Intel Core i5-12500H

ASUS TUF FX507ZC4-HN009 (Intel Core i5-12500H)

  • Processor (CPU) – Intel Core i5-12500H
  • Graphics (GPU) – NVIDIA GeForce RTX 3050 | 4GB GDDR6
  • RAM (Memory) – 8GB / 16GB DDR5 | 5200MHz
  • Storage (ROM) – 512GB PCIe 3.0 NVMe M.2 SSD
  • Display – 15.6″ FHD | 144Hz Refresh Rate | IPS
Shop Now

২। HP Victus 15-fb2082wm 

HP Victus 15-fb2082wm একটি স্টাইলিশ ও পাওয়ারফুল ল্যাপটপ। এটি ভিডিও এডিটিং এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য একেবারেই পারফেক্ট। এর AMD Ryzen 5 8645HS প্রসেসর ৬ কোর এবং ১২ থ্রেডের মাধ্যমে Adobe Premiere Pro, DaVinci Resolve বা After Effects-এর মতো হেভি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দ্রুত চালাতে সক্ষম। পাশাপাশি ৫GHz পর্যন্ত বুস্ট ফ্রিকোয়েন্সি ভিডিও রেন্ডারিং, ফ্রেম প্রিভিউ এবং মাল্টিপল ভিডিও লেয়ার হ্যান্ডলিংকে অনেক স্মুথ করে।

NVIDIA GeForce RTX 4050 6GB GDDR6 GPU দিয়ে হেভি ভিডিও প্রজেক্ট, মুভি ইফেক্ট এবং কালার গ্রেডিং সম্পূর্ণ ল্যাগ-মুক্তভাবে করা যাবে। একাধিক 4K ফুটেজ বা কমপ্লেক্স ট্রানজিশন প্রিভিউ করার সময়ও রেন্ডারিং ফ্লো খুবই স্মুথ থাকে।

8GB DDR5 RAM (আপগ্রেডেবল) এবং 512GB PCIe Gen4 NVMe SSD থাকার কারণে সফটওয়্যার লোড, ফুটেজ প্রিভিউ এবং মাল্টিটাস্কিং দ্রুত এবং ফ্লুয়েন্ট হয়। যারা বড় প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করেন, তারা RAM আপগ্রেডের মাধ্যমে আরও উন্নত পারফরম্যান্স পেতে পারেন।

ডিসপ্লে হিসেবে রয়েছে 15.6 ইঞ্চি FHD IPS Anti-glare ডিসপ্লে। 144Hz রিফ্রেশ রেট এবং 45% NTSC কালার কভারেজ ভিডিও প্রিভিউ এবং এডিটিংয়ে একটি হাই-রেসপন্সিভ অভিজ্ঞতা দেয়। এছাড়া 300 nits ব্রাইটনেস দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য যথেষ্ট ভালো। 

HP Victus 15-fb2082wm AMD Ryzen 5 8645HS

HP Victus 15-fb2082wm (AMD Ryzen 5 8645HS)

  • Processor (CPU) – AMD Ryzen™ 5 8645HS | Up to 5GHz | 16MB L3 Cache
  • Graphics (GPU) – NVIDIA GeForce RTX 4050 | 6GB GDDR6 Dedicated
  • RAM (Memory) – 8GB DDR5-5600MHz (1×8GB)
  • Storage (ROM) – 512GB PCIe Gen4 NVMe TLC M.2 SSD
  • Display – 15.6″ FHD | 144Hz | IPS | Anti-Glare | 300 nits
Shop Now

৩। MSI Sword 12th Gen Intel Core i7 

MSI Sword 12th Gen Intel Core i7 একটি প্রিমিয়াম ল্যাপটপ, যা ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স এবং হেভি মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য একেবারেই পারফেক্ট। এর 12th Gen Intel Core i7-12650H প্রসেসর ১০ কোর এবং ১৬ থ্রেডের মাধ্যমে Adobe Premiere Pro, After Effects বা DaVinci Resolve-এর মতো সফটওয়্যার দ্রুত চালাতে সক্ষম। এর 4.7GHz পর্যন্ত বুস্ট ফ্রিকোয়েন্সি ভিডিও রেন্ডারিং, ফ্রেম প্রিভিউ এবং মাল্টিপল ভিডিও লেয়ার হ্যান্ডলিংকে অনেক স্মুথ করে।

এটির NVIDIA GeForce RTX 3060 6GB GDDR6 GPU দিয়ে হেভি ভিডিও প্রজেক্ট, 3D রেন্ডারিং এবং কালার গ্রেডিং সম্পূর্ণ ল্যাগ-মুক্তভাবে করা যায়। একাধিক 4K ফুটেজ বা কমপ্লেক্স ট্রানজিশন প্রিভিউ করার সময়ও রেন্ডারিং ফ্লো অত্যন্ত স্মুথ থাকে।

16GB DDR4 RAM (8GB x 2) এবং 1TB NVMe SSD থাকার কারণে সফটওয়্যার লোড, ভিডিও প্রিভিউ এবং মাল্টিটাস্কিং ফ্লুয়েন্ট হয়। বড় প্রজেক্টের জন্য SSD-এর হাই রিড/রাইট স্পিড ভিডিও এডিটিংকে আরও স্মুথ করে। ডিসপ্লে হিসেবে রয়েছে 15.6 ইঞ্চি FHD IPS 144Hz ডিসপ্লে। 

MSI Sword 12th Gen Intel Core i7-12650H

MSI Sword (12th Gen Intel Core i7-12650H)

  • Processor (CPU) – Intel Core i7-12650H (12th Gen)
  • Graphics (GPU) – NVIDIA GeForce RTX 3060 Laptop GPU
  • RAM (Memory) – 16GB (8GB×2) DDR4 3200MHz
  • Storage (ROM) – 1TB NVMe SSD
  • Display – 15.6″ FHD (1920×1080) | 144Hz
Shop Now

৪। Acer Nitro 5 AN515 Intel Core i5-12450H 

Acer Nitro 5 AN515 মূলত একটি গেমিং ল্যাপটপ যা ভিডিও এডিটিং এবং হেভি মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্যও পারফেক্ট। এর 12th Gen Intel Core i5-12450H প্রসেসর ৮ কোর এবং ১২ থ্রেডের মাধ্যমে Adobe Premiere Pro, After Effects, DaVinci Resolve বা Photoshop-এর মতো সফটওয়্যার দ্রুত চালাতে সক্ষম। 4.40GHz পর্যন্ত বুস্ট ফ্রিকোয়েন্সি ভিডিও রেন্ডারিং এবং ফ্রেম প্রিভিউকে অনেক স্মুথ করে।

NVIDIA GeForce RTX 4050 6GB GDDR6 GPU দিয়ে হেভি ভিডিও প্রজেক্ট, 3D রেন্ডারিং এবং কালার গ্রেডিং সম্পূর্ণ ল্যাগ-মুক্তভাবে করা যায়। একাধিক 4K ফুটেজ বা কমপ্লেক্স ট্রানজিশন প্রিভিউ করার সময়ও ভিডিও প্রিভিউ ফ্লো অত্যন্ত স্মুথ থাকে।

16GB DDR4 RAM এবং 512GB SSD থাকার কারণে সফটওয়্যার লোড, ভিডিও প্রিভিউ এবং মাল্টিপল প্রজেক্ট হ্যান্ডলিং ফাস্ট হয়। ল্যাপটপটির SSD-এর উচ্চ রিড/রাইট স্পিড ভিডিও এডিটিংকে আরও স্মুথ করে।

ডিসপ্লে হিসেবে রয়েছে 15.6 ইঞ্চি FHD IPS 144Hz ডিসপ্লে, যা ভিডিও এডিটিং এবং গেমিং উভয়ের জন্য দারুণ। এর 144Hz রিফ্রেশ রেট এবং IPS প্যানেল কালার প্রিভিউ এবং ভিডিও এডিটিংয়ে হাই-রেসপন্সিভ অভিজ্ঞতা দেয়।

Acer Nitro 5 AN515 Intel Core i5-12450H

Acer Nitro 5 AN515 (Intel Core i5-12450H)

  • Processor (CPU) – Intel Core i5-12450H
  • Graphics (GPU) – NVIDIA GeForce RTX 4050 | 6GB GDDR6
  • RAM (Memory) – 16GB DDR5 SDRAM
  • Storage (ROM) – 512GB SSD
  • Display – 15.6″ FHD (1920×1080) | IPS | 144Hz
Shop Now

৫। DELL G15 G15RE-A362GRY-PUS AMD Ryzen 5 6600H 

DELL G15 G15RE-A362GRY-PUS হলো একটি 15.6 ইঞ্চির গেমিং ল্যাপটপ যা ভিডিও এডিটিং, 3D রেন্ডারিং এবং হেভি মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্যও চমৎকার পারফরম্যান্স দেয়। এর AMD Ryzen 5 6600H প্রসেসর ৬ কোর এবং ১২ থ্রেডের মাধ্যমে Adobe Premiere Pro, After Effects, DaVinci Resolve বা Photoshop-এর মতো সফটওয়্যার দ্রুত চালাতে সক্ষম। পাশাপাশি 4.5GHz পর্যন্ত বুস্ট ফ্রিকোয়েন্সি ভিডিও রেন্ডারিং এবং মাল্টি-টাস্কিংয়ের অভিজ্ঞতাকে অনেক স্মুথ করে।

NVIDIA GeForce RTX 3050 4GB GDDR6 GPU দিয়ে হেভি গ্রাফিক্স-ভিত্তিক প্রজেক্ট এবং 3D রেন্ডারিং সম্পূর্ণ ল্যাগ-মুক্তভাবে করা যায়। একাধিক 1080p বা 4K ফুটেজ প্রিভিউ করার সময়ও ভিডিও প্রিভিউ ফ্লো অত্যন্ত স্মুথ থাকে।

8GB DDR5 RAM এবং 512GB SSD থাকার কারণে সফটওয়্যার লোড, ভিডিও রেন্ডারিং এবং মাল্টিপল প্রজেক্ট হ্যান্ডলিং খুবই ফাস্ট থাকে। এছাড়াও SSD-এর হাই রিড/রাইট স্পিড ভিডিও এডিটিংকে আরও স্মুথ করে।

ল্যাপটপটির ডিসপ্লে হিসেবে রয়েছে 15.6 ইঞ্চি FHD IPS 120Hz ডিসপ্লে, যা ভিডিও এডিটিং এবং গেমিং উভয়ের জন্য ভালো। Anti-glare এবং IPS প্যানেল ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য যথেষ্ট কালার একুরেসি দিবে। 

DELL G15 G15RE-A362GRY-PUS AMD Ryzen 5 6600H

DELL G15 G15RE-A362GRY-PUS (AMD Ryzen 5 6600H)

  • Processor (CPU) – AMD Ryzen™ 5 6600H (Up to 4.5GHz)
  • Graphics (GPU) – NVIDIA GeForce RTX 3050 | 4GB GDDR6
  • RAM (Memory) – 8GB DDR5 | 4800MHz
  • Storage (ROM) – 512GB M.2 PCIe NVMe SSD
  • Display – 15.6″ FHD (1920×1080) | 120Hz | IPS
Shop Now

ভিডিও এডিটিংয়ে প্রোডাক্টিভিটি, স্মুথ প্রিভিউ এবং হাই-কোয়ালিটি রেন্ডারিং নিশ্চিত করতে সঠিক প্রসেসর, GPU, RAM, Storage এবং ডিসপ্লে বেছে নিন। উপরে বর্ণিত ল্যাপটপগুলো মূলত মিড বাজেটে পারফরম্যান্স অনুযায়ী সর্বোত্তম চয়েস। তাই আপনার কাজের ধরন এবং বাজেট অনুযায়ী সেরা ল্যাপটপটি বেছে নিয়ে ভিডিও এডিটিং অভিজ্ঞতাকে আরও স্মুথ ও প্রফেশনাল করুন।

ভিডিও এডিটিং-এর জন্য সেরা ল্যাপটপ খুঁজে থাকলে Vertech-এ ভিজিট করুন। আমাদের কাছে পাবেন লেটেস্ট মডেল, unbeatable প্রাইসিং, 100% অরিজিনাল এবং নিরাপদ শপিং সুবিধা। আজই ভিজিট করুন www.vertech.com.bd আর নিজের জন্য পারফেক্ট ল্যাপটপ বাছাই করে শুরু করুন আপনার ক্রিয়েটিভ জার্নি!

Similar Posts